রাজশাহীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
রবিববার (৮ নভেম্বর) করব সমবায়, গড়ব দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ, প্রতিপাদ্যে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, সমবায় পণ্য মেলা ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়।
সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালি শেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকার। পরে অতিথিরা সমবায় পণ্য মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্মনিবন্ধক মোঃ মোখলেছুর রহমান, আরএমপির বিশেষ পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাঃ সবুর আলী ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আবু সাইফ।
বক্তব্যে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, সমবায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সম্মিলিত উদ্যোগ বেকারত্ব দূরীকরণ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তিতে ভূমিকা রাখতে পারে। সমবায়ের সফল উদাহরণ হিসেবে রাসিকের সিডিসি কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এতে বর্তমানে প্রায় ৫৫ হাজার সদস্য সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁদের মূলধন শিগগিরই প্রায় ১০০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে। এ অর্থ ও সমবায় কাঠামোর ভিত্তিতে রাজশাহীতে একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নগরবাসীকে আরও স্বাবলম্বী করা যায়।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ রেজাউল আলম সরকার বলেন, যৌথ ও সমন্বিত প্রচেষ্টাই সমবায়ের মূল শক্তি। সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র সঞ্চয় একত্র করে বড় মূলধন গঠন এবং সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সমবায়ী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে শ্রেষ্ঠ সমবায়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
রবিববার (৮ নভেম্বর) করব সমবায়, গড়ব দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ, প্রতিপাদ্যে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, সমবায় পণ্য মেলা ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়।
সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালি শেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকার। পরে অতিথিরা সমবায় পণ্য মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্মনিবন্ধক মোঃ মোখলেছুর রহমান, আরএমপির বিশেষ পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাঃ সবুর আলী ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আবু সাইফ।
বক্তব্যে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, সমবায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সম্মিলিত উদ্যোগ বেকারত্ব দূরীকরণ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তিতে ভূমিকা রাখতে পারে। সমবায়ের সফল উদাহরণ হিসেবে রাসিকের সিডিসি কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এতে বর্তমানে প্রায় ৫৫ হাজার সদস্য সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁদের মূলধন শিগগিরই প্রায় ১০০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে। এ অর্থ ও সমবায় কাঠামোর ভিত্তিতে রাজশাহীতে একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নগরবাসীকে আরও স্বাবলম্বী করা যায়।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ রেজাউল আলম সরকার বলেন, যৌথ ও সমন্বিত প্রচেষ্টাই সমবায়ের মূল শক্তি। সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র সঞ্চয় একত্র করে বড় মূলধন গঠন এবং সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সমবায়ী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে শ্রেষ্ঠ সমবায়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :